সোমবার (২১/৭/০৮) প্রথম আলো – রস আলো
বাড়ি ফিরেছে স্বামী। স্ত্রী তখন কাঁদছে।
-কী হয়েছে?
-বিড়াল আমার বানানো কেকটা খেয়ে ফেলেছে!
-কষ্ট পেয়ো না। ও বিড়াল তো আর ফিরবে না। আমি নতুন একটা বিড়াল কিনে দেব।
-আপনি কি এখানে আমার স্বামীকে দেখেছেন? এক ঘণ্টা আগে তাঁর সঙ্গে এখানে এসে আমার দেখা করার কথা ছিল।
-তিনি দেখতে কেমন?
-কেমন···রাগে একেবারে লাল হয়েই তো থাকার কথা!
মরুভূমিতে দেখা হলো এক গাধা আর এক হাবিলদার মেজরের।
গাধা জিজ্ঞেস করল, তুই কে রে?
হাবিলদার মেজর এদিক-ওদিক তাকিয়ে আশপাশে কেউ নেই দেখে গর্বের সঙ্গে বলল, আমি মেজর জেনারেল। তুই কে?
গাধা এদিক-ওদিক তাকিয়ে আশপাশে কেউ নেই দেখে বলল, আমি ঘোড়া।
-ডাক্তার, আমরা কোথায় যাচ্ছি?
-মর্গে।
-মর্গে মানে! আমি তো এখনো মরিনি।
-আমরা তো এখনো মর্গ পর্যন্ত পৌঁছাইনি।
ফুলে যাওয়া ঠোঁট নিয়ে ক্লাসে হাজির ভোভকা। বন্ধুরা জিজ্ঞেস করল, কী হয়েছে তোর?
-রোববার বাবার সঙ্গে লেকে গিয়েছিলাম মাছ ধরতে। ঠোঁটের ওপর এক মাছি এসে বসেছিল।
-তাতে কী! মাছি বসলে কি ঠোঁট ফুলে যায়? তুই ওটাকে তাড়িয়ে দিতে পারলি না?
-সেটাই তো চেয়েছিলাম। কিন্তু বাবা হাতের লাঠিটা দিয়ে মাছিটা মেরে ফেলল।
স্ত্রীঃ ওগো শুনছ, আমি না দিনে দিনে উইক হয়ে যাচ্ছি।
স্বামীঃ ঠিকই তো আছে। দিনে দিনেই তো উইক হয়-সাত দিনে এক উইক।
একটি এস,এম,এস – এই মাত্র ঘুম থেকে উঠলাম। ভয়ানক একটা স্বপ্ন দেখেছি-পৃথিবীর সব গাধা মারা গেছে। তারপর থেকেই তোমার জন্য দুশ্চিন্তায় আছি···বেঁচে থাকলে প্লিজ একটা মিসকল দাও।
তরুণঃ তুমি অনেক সুন্দর। আমি তোমাকে অনেক পছন্দ করি। তোমাকে বিয়ে করতে চাই। তুমি কি আমাকে বিয়ে করবে?
তরুণীঃ নাহ! তবে তোমার পছন্দের আমি প্রশংসা করি।
পরোপকার
পরোপকার করার ওপর স্কুলে লেকচার শুনে বাসায় ফেরার পথে নিলয় দেখল, এক বৃদ্ধ রাস্তায় দাঁড়িয়ে ভ্রূ কুঁচকে চলন্ত গাড়ির দিকে তাকিয়ে আছেন। নিলয় তাঁকে সালাম দিয়ে বলল, ‘আপনি রাস্তার ওপারে যাবেন, তাই তো? আসুন, আমি রাস্তা পার করে দিচ্ছি।’
বৃদ্ধের শত বাধা উপেক্ষা করে নিলয় মোটামুটি টেনেহিঁচড়ে তাঁকে রাস্তা পার করে দিল। রাস্তার ওপারে এসে বৃদ্ধ চিৎকার শুরু করল, ‘ফাজিল ছেলে। আমি দাঁড়িয়ে ছিলাম বাসের জন্য। আর তুই আমাকে রাস্তার এপারে এনে দাঁড় করালি?’
নিলয় দৌড়ে পালাল। কিছু দূর গিয়ে দেখল, এক লোক ভ্যানের পাশে বড় একটা বাক্স হাতে দাঁড়িয়ে আছে। নিলয় এবার উপকার করার আগে অনুমতি চাইল, ‘আমি কি বাক্সটা ধরে সাহায্য করতে পারি?’
-ওহ, অবশ্যই।
নিলয় বাক্সের এক মাথা ধরল। দুজনে অনেকক্ষণ কসরত করল। কিন্তু কিছুতেই কাজ হলো না। লোকটি বলল, ‘আশ্চর্য! বাক্সটা তো খুব ভারী না। অথচ দুজনে মিলেও ভ্যানে ওঠাতে পারছি না।’
নিলয় জিভে কামড় দিয়ে বলল, ‘আপনি বাক্স ওঠাচ্ছেন? আমি তো নামাচ্ছি···।
তাম্রমুদ্রা
একদিন হোজ্জা নদীর তীরে বসে ছিলেন। ঠিক সেই সময় ১০ জন অন্ধ লোক তাঁর কাছে এসে অনুরোধ করল তাদের নৌকায় করে ওপারে নিয়ে যেতে। হোজ্জা কাজটা করে দিতে রাজি হলেন ১০টি তাম্রমুদ্রার বিনিময়ে। হোজ্জা অন্ধ ১০ জনকে নৌকায় তুলে বৈঠা মেরে এগিয়ে যেতে লাগলেন। নৌকাটা ছিল বেশ ছোট, আবার হোজ্জা নৌকা ভালো বাইতে পারতেন না। তাই নৌকা টালমাটাল হতে লাগল। ফলে একজন অন্ধ ভারসাম্য হারিয়ে নদীতে পড়ে গেল। অন্য অন্ধরা জিজ্ঞেস করল হোজ্জাকে, কী ঘটেছে? জবাবে হোজ্জা বললেন, ‘ভয়ের কিছু নেই, সব ঠিক আছে, তোমাদের নয়টি তাম্রমুদ্রা দিলেই চলবে।’
তাই আমি বহন করছি
হোজ্জা বাজারে গিয়ে এক বস্তা আলু কিনলেন। বস্তাটি নিজের কাঁধে নিয়ে গাধার পিঠে চেপে বাড়ির দিকে রওনা দিলেন। পথে বন্ধুদের সঙ্গে তাঁর দেখা হলো। তারা বলল, ‘হোজ্জা, কাঁধে বস্তা নিয়ে এক হাতে ওটাকে ধরে অন্য হাতে গাধাকে নিয়ন্ত্রণে রাখা বেশ মুশকিল। তুমি কেন বস্তাটা গাধার পিঠের ওপর রাখছ না?’ হোজ্জা জবাবে বললেন, ‘গাধাটা আমার ওজন বহন করতে পারছে এটা ঠিক, তবে এর অতিরিক্ত ওজন বহন করতে পারবে না, তাই বস্তাটা আমিই বহন করছি।’
বাঙ্গালী said,
অক্টোবর 11, 2008 Project Management 6:34 pm
খুবই মজা পেলাম।